আম বাগান
বাঙালি সংস্কৃতি আম জড়িয়ে আছে । যদিও আম শব্দ টা মৈথিল শব্দ । কালিদাস আমকে আম্র বলতেন , বাল্মিকি আমকে চ্যুত বলেছেন আর ব্যাৎসায়ন সহকার বলেছেন । ইংরাজি তে আমকে মাঙ্গ বলে । সম্রাট বাবর আমের প্রতি খুব দুর্বল ছিলেন , বিহারের দ্বারভাঙ্গা লাখবাগ এক লক্ষ আমগাছ লাগিয়ে ছিলেন । আইন ই আকবরি তে নানা প্রজাতির আম গাছ এর উল্ল্যেখ আছে ।
মুশিদাবাদের নবাব দের আম প্রীতি পরিচয় মুর্শিদাবাদের জেলার আম বাগান আজ তার স্মৃতি বহন করছে । কোহিতুর আম জেলার বিখ্যাত এই আম দুর্লভ প্রজাতির । তাতে আমের ফলন কম হয় ।
কিন্তু স্বাদে নাজাবাব , জগত বিখ্যাত আলফান্স আমের নাম সবাই জানে । গৌড়ের জঙ্গলে ফজলি নামক এক বৃদ্ধের উঠানে গাছ ছিল , মালদহের কালেক্টর এই গাছের আম খেয়ে মুগ্ধ হন । আর হাজিপুরের বিখ্যাত আম ল্যাংড়া । ফকিরের আস্তানা তে যে আম তিনি পেয়েছিলেন তার নাম রাখেন ফজলি । সিপাহী বিদ্রোহের সময় ডেভিস সাহেব কলমের সাহায্যে সাহায্যে বোম্বাই আমের উদ্ভাবন করেন । মিথিলার জমিদার কৃষ্ণ দাস ঠাকুরের বিখ্যাত আম কিসেনভগ । এছারা নানা জাতের আম পাওয়া যায় গোলাপ খাস ,গোপাল ভোগ গঙ্গা সাগর হিম সাগর ইত্যাদি আম খুব সুস্বাদু । আমের এত প্রজাতি তার স্বাদ বলা সম্ভব নয় ।
স্বাভাবিক ভাবে বড় ছেলে সুরেন্দ্রনাথ ঝা তখন সংসারের দায়িত্ব নিলেন , ছোট ভাই , বোন দের মানুষ করেন ,তাদের বিবাহ দেন । জমিদারির কাজে যোগ দান করেন । আর জাননগর গ্রামে এক একর বাস্তু ভিটে সুন্দর একটি মৈথিলী শৈলী তে এক টিনের বাড়ি আর তাঁর চার দিকে সুন্দর আম কাঁঠাল পেয়ারা জাম আমড়া লেবু লিচু গাছে ভর্তি জমির মধ্যে ।
জাননগর মৌজা দাগ ৭০৫ থানা রতুয়া জেলা মালদহ
১৯৭৩ সাল হঠাৎ আমার বাবা মারা গেলেন । কর্মের প্রয়োজনে আর রাজনীতির টানে মাকে রেখে প্রবাসে চলে গেলাম । আর রেখে এলাম আমার মাতৃ ভুমি আর মাকে । দায়িত্ব দিয়েছিলাম অনিল ঘোষ কে । বিশ্বাস করে আমার জমি জমাগুলি দেখাশুনার দায়িত্ব দিয়েছিলাম অনিল ঘোষ কে । ইতিমধ্যে আমার পারিবারিক এক ঘটনা আমার পারিবারিক বিপর্যয় নেমে আসে আর সেই সুযোগ গ্রহণ করে বৃদ্ধা তারা দেবির সম্পত্তি আত্ম সাৎ করে । আর আমার নামে কয়েকটি জাল দলিল দেখিয়ে গায়ের জোরে আমার জন্ম ভিটে দখল করে আছে ।
আজ কে সেই সুন্দর ভিটে বাড়ি
বর্তমান খাতিয়ান ও খাজনার রশিদ
আইনি চিঠি
আজকের উপেন




















No comments:
Post a Comment